বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :

জাগিরাঘোনা নুর শফির মৃত্যু: তদন্তপূর্বক পিতা হত্যার বিচার চান পরিবার

গত 5 মে সংবাদ সম্মেলনে দাবী করা হয় নুর শফিকে হত্যা করা হয়েছে । ইনসেটে মৃত নুর শফি

ভয়েস প্রতিবেদক, মহেশখালী:

৫ মে  উপজেলার বড় মহেশখালীর পূর্ব জাগিরাঘোনা গ্রামে সংঘটিত বহুল আলোচিত নুর শফি’র মৃত্যুর ঘটনাকে পরিকল্পিত খুন দাবি করে আইনী তদন্তপূর্বক বিচার চান তার পরিবার। তাদের অভিযোগ কিছু স্থানীয় প্রভাশালীদের চাপে এবং তাদের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের কারণে কিছু আলামত অদৃশ্য করার চেষ্টায় এতদিন বিচার পেতে ভুগতে হচ্ছে।

এবিষয়ে গত ১১ই মে সন্ধ্যা ৭টায় মহেশখালী উপজেলা সদরের মায়েশা মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নুর শফিকে খুন করা হয়েছে দাবী করে আইনানুগ সঠিক তদন্তের মাধ্যমে মূল ঘটনার রহস্য উদঘাটনের দাবী করে মৃত শফির পরিবার। ওই সময় উপস্থিত ছিলেন মৃত শফির ২ স্ত্রী, ভাই, ছেলে মেয়েরা সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। তাদের দাবী সঠিক বিচার পেতে পিতাকে সকল আইনী ব্যবস্থা গ্রহণে তাদের সম্মতি আছে উল্লেখ করে বলেন, প্রয়োজনে খুনীদের চিহ্নিত করতে নুর শফিকে কবর থেকে উত্তোলনে আপত্তি রাখবেনা।

মৃত নুর শফির পুত্র খাইরুল আমিন বলেন, থানায় এজাহার দিয়েছেন, সংবাদ সম্মেলন করেছে তারপরও কোন ধরনের সুরাহা না পেয়ে হতাশা ভর করছে পরিবারে। কিন্ত তারপরও শেষ আইনী লড়াই চালিয়ে যাবে এমন প্রতিজ্ঞা তার।

ঘটনা সম্পর্কে বলেন, গত ৫ ই মে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় তারাবী নামাজে যাওয়ার পর মৃত হয়েই বাসায় ফিরেন তিনি।পরিবারের দাবি,মৃত শফির ভাই নুরুচ্ছফার সাথে তাদের দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। তারই জের ধরে চাচাতো ভাই মোহাম্মদ ইসলাম এবং কিছু ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা ৫ই মে রাতে শফি তারাবীর নামাজ পড়ে বাসায় ফেরার পথে বেধড়ক মারধর করার ফলে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

তারা আরো দাবি করেন, ইসলাম এবং তার দলবল খুব পরিকল্পিতভাবে মৃত শফিকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে পরিকল্পিত খুনকে হার্ট অ্যাটাক বানিয়ে শফির লাশ বাড়ির উঠানে রেখে আসে।

পরবর্তীতে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী পরিবারের চাপে লাশের দাফনকার্য দ্রুত সম্পাদন করতে বাধ্য করে এবং তাদের এখনো প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন।

মহেশখালী থানায় একটি লিখিত এজাহার জমা দেওয়া হলেও মহেশখালী থানা দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

জানতে চাইলে মহেশখালী থানার ওসি (অফিসার ইনচার্জ) প্রভাষ চন্দ্র ধর বলেন, নুর শফির মৃত্যুর বিষয়ে এজাহার পেয়েছেন।  তাঁর পরিবার লাশ দাফনের আগে পরে থানাকে অবহিত করেনি। যেখানে সমস্যা, মৃত ব্যক্তির সুরতহাল রিপোর্ট করতে হয় যা হয়নি। তারপরও কিন্তু একটা মানুষ মৃত্যুরপর তার ডেথ সার্টিফিকেট লাগে আইনী পদক্ষেপ নিতে যা তারা দেননি।  যদি দেন তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে বাধা থাকবেনা।

ভয়েস/জেইউ।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION